খবরের বিস্তারিত...

ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ

নির্বাচন বানচালের অশুভ ষড়যন্ত্র প্রতিরোধের দাবীতে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ’র বিক্ষোভ মিছিল

আক্টো. 27, 2018 সাংগঠনিক খবর

নির্বাচন বানচালের অশুভ ষড়যন্ত্র ও অভিশপ্ত জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসের প্রতিরোধ এবং
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত
সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক যেকোন দাবী-দাওয়ার
কার্যকারিতা অন্ত:সারশুণ্য-ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ
আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী মহাজোটে ইসলামিক ফ্রন্টকে অন্তর্ভূক্ত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট এম আবু নাছের তালুকদার বলেছেন,- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই রাজনীতিতে উত্তাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা জাতীয় জীবনে এক অশনি সংকেত। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বিধি মোতাবেক ইসিকে যেমনিভাবে অধিকতর দায়িত্বশীল ভূমিকায় এগিয়ে আসতে হবে, ঠিক তেমনিভাবে দেশের রাজনৈতিক দলসমুহকেও পারস্পরিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক হতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন,- জাতীয় ঐক্যের নামে অবাঞ্চিত আস্ফালন যা রাজনীতিতে অনাহুত জল ঘোলা করে জনগণের দৃষ্টি অন্যত্র ফেরানোরই অপপ্রয়াস মাত্র। কেননা গনবিচ্ছিন্ন, হতাশাগ্রস্ত, প্রতিহিংসাপরায়ণ, রাজনৈতিকভাবে দেওলিয়া অথচ উচ্চাবিলাসী কতিপয় ব্যক্তির ঐক্য আসন্ন নির্বাচনে কার্যকর কোন প্রভাব ফেলবে বলে মনে হয় না। যেহেতু এদেশের মানুষ অতীতের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অধিকতর সচেতন বলে তিনি মন্তব্য করেন। অসাংবিধানিক দাবী-দাওয়া তথা মুখরোচক বক্তব্য দিয়ে সংবাদের শিরোনাম হওয়া গেলেও তা রাজনীতিতে কোন ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না। যেহেতু সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক যেকোন দাবী-দাওয়ার কার্যকারিতা অন্ত:সারশুণ্য। অধ্যক্ষ আল্লামা কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খান বলেন,- মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ২০০৪ সাল হতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অন্যতম শরিকদল হিসেবে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে রাষ্ট্র্রীয় ক্ষমতায় আনতে অনন্য ভূমিকা পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী মহাজোটে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশকে অন্তর্ভূক্ত করায় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। আলহাজ্ব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর বলেন,-দেশব্যাপী সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকান্ড দৃশ্যমান হলেও তুলনামূলক বিচারে চট্টগ্রামের উন্নয়ন আশাব্যাঞ্জক নয়। এ চট্টগ্রাম দেশের গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার হিসেবে বিবেচিত হলেও উন্নয়ন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে এখনও পশ্চাৎপদ। তাই চট্টগ্রামের নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নির্বিঘœ করতে সকল রাজনৈতিক দলকে আসন্ন নির্বাচনী ইস্তিহারে চট্টগ্রামের বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে অদ্য ২৭ অক্টোবর ২০১৮ ইং রোজ শনিবার বিকেল ৩টায় জামালখান চত্বরে নির্বাচন বানচালের অশুভ ষড়যন্ত্র ও অভিশপ্ত জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসের প্রতিরোধ এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবীতে আহুত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব এক সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এডভোকেট আবু নাছের তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জননেতা এম সোলায়মান ফরিদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, অধ্যক্ষ এম ইব্রাহীম আখতারী, এস এম আবদুল করিম তারেক, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু ছালেহ, আবদুর রহমান মান্না, মহিউল আলম চৌধুরী, মাওলানা সৈয়দ রফিকুল ইসলাম তাহেরী, কে এম নুরুল ইসলাম হুলাইনী, আলহাজ্ব ওয়াহেদ মুরাদ, মাওলানা মফিজুর রহমান, মাওলানা নাছির উদ্দিন, লায়ন মুহাম্মদ ইমরান, আলহাজ্ব এ এম মঈন উদ্দীন চৌধুরী হালিম, ডা. হাসমত আলী তাহেরী, মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, এইচ এম নাছির উদ্দিন, মাওলানা মহিউদ্দীন তাহেরী, এডভোকেট জসিম উদ্দিন মাহমুদ, শাহেদ আলী, মুহাম্মদ আবদুর রহিম, মাওলানা জিয়াউল হক বিপ্লবী, মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আবদুর রহিম, ছাত্রনেতা কফিল উদ্দিন রানা, আবু ছাদেক ছিটু, আহমদ রেজা, কাজী সুলতান আহমদ, মুহাম্মদ মনির উদ্দিন, মোহাম্মদ ইরফান উদ্দিন, মুহাম্মদ মামুন ও এস এম রাশেদ প্রমুখ। পরিশেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল আসকার দীঘির পাড়, জামাল খান, প্রেসক্লাব, চেরাগীপাহাড় হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Comments

comments

Related Post